ঢাকাশনিবার , ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • অন্যান্য
বিজ্ঞপ্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছুটিতে ইবির হল বন্ধের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা, স্মারকলিপি প্রদান

ইবি প্রতিবেদক
জুন ৩, ২০২৪ ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
link Copied

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) গ্রীষ্মকালীন ও ঈদ উল আযহার ছুটিতে ১৪ দিন ক্যাম্পাসের আবাসিক হলসমূহ বন্ধের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৩ জুন) বেলা ১১ টায় ক্যাম্পাস বন্ধকালীন সময়ে হল খোলা রাখার দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের জোট (ঐক্যমঞ্চ) এবং একই দাবিতে প্রধান ফটক অবরোধ ও স্মারকলিপি প্রদান করেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ইবি ক্রিকেট ক্লাবের সদস্যরা। পরে সহকারী প্রক্টরদের উপস্থিতিতে আধা ঘন্টা পরে প্রধান ফটক খুলে দেওয়া হয়।

জানা যায়, গ্রীষ্মকালীন ও ঈদ উল আযহার ছুটি উপলক্ষ্যে ছয় জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ ও ২৬ জুন পর্যন্ত সকল ক্লাস, পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ১০ জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত আবাসিক হলসমূহ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সময়ে অনেকেই গবেষণা ও চাকরির পড়াশোনা করেন। হল বন্ধ থাকলে বাধ্য হয়ে তাদের ক্যাম্পাস ছাড়তে হয়। ফলে বিড়ম্বনায় পড়েন তারা। এছাড়াও দূর দূরান্তের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে চাইলেও বাধ্য হয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হয়। আবার নির্দিষ্ট ধর্মীয় কোন ছুটিতে হল বন্ধ থাকলে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদেরও ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হয়।

এ বিষয়ে ঐক্যমঞ্চের সদস্য সচিব এস এ এইচ ওয়ালীউল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বছরের প্রায় অর্ধেক সময়ই বন্ধ থাকে। এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির সাথে হলগুলোও দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয়। এক্ষেত্রে বিশেষত দূরের শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়ে। আবার নির্দিষ্ট ধর্মীয় কোন ছুটিতে হল বন্ধ থাকলে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদেরও ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হয়। আবার লেখাপড়ার শেষ স্তরে থাকা চাকুরী প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরাও মারাত্মক অসুবিধায় পড়েন। এই কারণেই এসকল শিক্ষার্থীর কথা বিবেচনা করেই আমরা উপাচার্য স্যার বরাবর আবেদন জানিয়েছি।

এ বিষয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, দুই ছুটির কারণে হল একটু বেশি সময়ের জন্য বন্ধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সময়ে হল খোলা রাখলেও বেশি শিক্ষার্থী হলে থাকেন না। এছাড়া হলের কর্মকর্তা কর্মচারীদেরও ছুটির প্রয়োজন হয়। তাই সবমিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।