বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার অত্যন্ত সুকৌশলে পোশাক শিল্প ধ্বংসের নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে।
বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয়-স্বজন ও দলের লোকেরা এতো টাকা বিদেশে পাচার করেছে যে, তাদের চৌদ্দ জেনারেশন বসে বসে খেতে পারবে। কিন্তু শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি দমনে হত্যা নিষ্পেষণ এবং প্রতিবেশী দেশের স্বার্থে দেশের সর্ববৃহৎ পোশাক শিল্প ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নেওয়া হয়েছে। শ্রম অধিকার সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র নতুন শ্রমনীতি ঘোষণার পর বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রায় অবধারিত। জনগণ বিশ্বাস করে রেডিমেড গার্মেন্টস ব্যবসা এখন অন্য দেশের হাতে তুলে দিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার গ্যারান্টি চায় শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, একতরফা নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে। দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেবে। এই পাতানো নির্বাচন কেবল বয়কট নয় গণ-প্রতিরোধের মাধ্যমে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে একটা সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা নিশ্চিত করতে হবে। দেশে নির্বাচনের নামে তামাশা পুরোদমে চলছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা শুনে ক্ষিপ্ত প্রধানমন্ত্রী, খড়গ হাতে নিয়ে নির্বাচনি মাঠে ‘আদার বনে শিয়াল রাজার মতো’ ছুঠে বেড়াচ্ছেন।
রিজভী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মনে করেন তিনিই সব, তাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে। তাই যারা সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের কথা বলেন তাদের তিনি শত্রুজ্ঞান করেন। শেখ হাসিনা কার্যকর ও শক্তিশালী রাষ্ট্র চান না। তার লক্ষ্য দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা। দেশকে নিজের জমিদারি মনে করেন তিনি।
