ঢাকারবিবার , ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • অন্যান্য
বিজ্ঞপ্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যশোর

এসপির বদলি চেয়ে দেওয়া চিঠি প্রত্যাহার করে নিলো জাতীয় পার্টির ৬ প্রার্থী

নিত্যবেলা প্রতিবেদক
ডিসেম্বর ১৫, ২০২৩ ৪:২০ পূর্বাহ্ণ
link Copied

যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) প্রলয় কুমার জোয়ার্দারকে বদলি করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া চিঠি প্রত্যাহার করেছে জেলার ছয়টি আসনের জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে নির্বাচন ভবনের প্রাপ্তি জারি শাখায় তারা পৃথক ছয়টি চিঠি জমা দেন। সন্ধ্যায় ফের সেই চিঠি প্রত্যাহার করেছেন তারা। প্রার্থীদের দাবি, ছয়টি আসনেই এসপির সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তারা জাতীয় পার্টির মহাসচিবের মাধ্যমে বদলির সেই চিঠি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা হলেন যশোর-১ আসনে মো. আক্তারুজ্জামান, যশোর-২ আসনে মুফতি ফিরোজ শাহ, যশোর-৩ আসনে মো. মাহবুব আলম, যশোর-৪ আসনে মো. জহুরুল হক, যশোর-৫ আসনে এমএ হালিম এবং যশোর-৬ আসনে জিএম হাসান।

এ বিষয়ে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে প্রার্থী মুফতি ফিরোজ শাহ বলেন, যশোরের এসপি প্রলয় কুমার জোয়ার্দারের শ্বশুরবাড়ি যশোরে। আমরা শঙ্কা করেছিলাম স্বজনপ্রীতির কারণে সুষ্ঠু ভোট হবে না। তাই নির্বাচন কমিশন বরাবর সেই শঙ্কার কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। পরবর্তী আমাদের পার্টির মহাসচিবের সঙ্গে যশোরের এসপি কথা বলেছেন। তিনি পার্টির মহাসচিবকে এখানে সুষ্ঠু ভোট হওয়ার প্রুতিশ্রুতি দিয়েছেন। পার্টির মহাসচিবের নির্দেশে আমাদের সেই অভিযোগের চিঠি প্রত্যাহার করে নিয়েছি। তিনি জানান, যশোর ফিরেই এসপি আমাদের সঙ্গে বসবেন বলে জানিয়েছেন।

জানা যায়, প্রলয় কুমার জোয়ার্দার যশোরে প্রায় তিন বছর কর্মরত আছেন। তিনি সম্প্রতি এসপি থেকে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। পদোন্নতি হলেও তিনি বর্তমানে যশোরে কর্মরত রয়েছেন। তিনি নেত্রকোনা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও তার শ্বশুরবাড়ি মনিরামপুর উপজেলায়। তিনি মনিরামপুর উপজেলাসহ সমগ্র যশোরের বহু মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া তিনি মনিরামপুরের বর্তমান সংসদ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের জামাই হিসাবে সুপরিচিত। আত্মীয়তার এ সম্পর্ক আসন্ন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে মত এখানকার প্রার্থীদের।

এর আগে শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) প্রলয় কুমার জোয়ার্দারের বদলির দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে লিখিত আবেদন করেন মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর আবেদনটি করেন মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জি এম মজিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সহ-সভাপতি গৌর কুমার ঘোষ, উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক সুব্রত ব্যানার্জি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবুল আক্তার। তবে তাদের চিঠি এখনও প্রত্যাহার করেনি।