ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নাবিলা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ রেখে পালিয়ে গেছেন শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই গৃহবধূ মারা যান। পরে মৃত্যুর কথা শুনে শাশুড়িসহ পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়।
নাবিলা আক্তার সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে।
পরিবারের লোকজন জানান, ছয় বছর আগে নাবিলাকে বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের বড়পুকুর পাড় গ্রামের সৌদি প্রবাসী সুজন মিয়ার কাছে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেন। বিয়ের কিছুদিন পর নাবিলার বাবা বাবুল মিয়া নিজের টাকা দিয়ে সুজনকে সৌদি আরবে পাঠান। বিদেশ গিয়ে তার বড়ভাই উসমানের কাছ থেকে একটা জায়গা কিনেন সুজন। এরপর থেকে এ জায়গা নিয়ে শাশুড়ি, দেবরদের সঙ্গে ঝগড়া হতো নাবিলার। আজকে এরকম ঘটনা ঘটে। পরে তাদের সঙ্গে অভিমান করে কেঁরির ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। তারপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাবিলা মারা যায়। পরে মরদেহ হাসপাতালের ট্রলির ওপর রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
